কবি-সুলতানা সাথী
সিমানা আবদ্ধ ছকে বাধা জিবন আমার।
সেখানে স্বধিন থেকে ও পরাধীন।
ইচ্ছে ঘুড়িরা আঘাত পেয়ে ফিরে আসে সিমানা প্রহরী কাছ থেকে।
ইচ্ছে করলে ও মুক্ত আকাশে ঘুরতে পারে না।
স্বপ্ন দেখাই ছিল একমাত্র সম্ভল।
স্বপ্ন দেখতে খুব ভাল লাগতো,
সেখানে কোনো প্রহরী নাই,
তবুও যেনো পিপাসিত মন,
ভালোবাসার সুধা পেতে ছট ফট করে।
বাস্তবে যেনো ভালোবাসা জোৎসনার আলোর মত হাতছানি দেয় দূর থেকে।
হঠাৎ স্বপ্ন লোকের চাবি পেয়ে যাই আমি।
খুব ইচ্ছে আমার সেই ভালবাসার রসনা পেতে,
তাইতো তোমার ডাকে সারা দিলাম দূর থেকে।
কারন সিমানা প্রহরী খুব কঠোর।
তোমার ভালোবাসা পেয়ে জিবন ধন্য হয়ে গেল।
এই বন্দী জীবনে এতো সুখ কোনো দিন পাইনি।
যানি কোনো দিন তোমাকে কিছু দিতে পারবো না,
তবুও ভালবাসার লোভী হয়ে স্বর্থপরের মত
তোমার কাছথেকে ভালবাসার সুধা নিচ্ছি।
তোমার ভালবাসার সুধা পান করতে গিয়ে
সত্যি তোমাকে ভালবেসে ফেলেছি।
এই ভালোবাসা যেনো বন্দি খাচরা পাখির মত,
ছটফট করে আর নিজের অজান্তে গেয়ে উঠে,
আমি যে আধারে বন্দীনি আমাকে আলো তে ডেকে লও।
এরি মধ্যে সিমান্ত প্রহরী যেনে যায় আমর ভালবাসার কথা,
বিয়ে নামক বেড়ি পরিয়ে দেয় আমার পায়ে।
হাজার ও বেড়ির মাঝে সব সময়
আমার কল্পনায় ঘিড়ে থাকে স্বপ্নলোকের রাজকুমার।
জলন্ত শিখা বুকে চেপে দিন জাপান করছি।
কত যে যন্ত্রনার কত যে কষ্টের সেটা বিধাতা ছাড়া কেহ যানে না।
বার বার চেস্টা করি আমি আর একবার সেই রাজকুমারে কাছে যেতে,
আমার সোনাই এর কাছে যেতে।
কিন্ত পায়ে যে বিয়ে নামক বেড়ি সেটা পিছন থেকে টেনে ধরে,
আর পারি না সামনে আগাতে।
স্বপ্ন লোকের দ্বারে মাথা ঠুকে আর কষ্টে পরাজিত মন
চিৎকার করে সোনাই......
আমি তোমাকে ভালবাসি....ভালবাসি.... ভালবাসি..........।।।

No comments:
Post a Comment